তহবিল সংগ্রহের রূপরেখা Default
গাজীপুরের শ্রীপুর থানাধীন মাওনা বেড়াইদেরচালা এলাকায় অবস্থিত 'ভূঁইয়া বাড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদ'-এর উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে একটি সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী তহবিল ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। আল্লাহর ঘর নির্মাণের এই মহৎ কাজে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করতে আমরা বর্তমানের তহবিল কাঠামোকে আরও আধুনিক ও ঢেলে সাজাচ্ছি!
ভূঁইয়া বাড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদ: তহবিল সংগ্রহের রূপরেখা
আমাদের মসজিদের সার্বিক পরিচালনা ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে গতিশীল করতে আমরা তহবিলকে কয়েকটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করেছি। এই প্রতিটি খাতই মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা এবং মুমিনদের ইবাদতের পরিবেশ সুন্দর করার কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে।
১. কার্যকরী কমিটি ও নিয়মিত সদস্য তহবিল (Core Membership Fund)
এটি মসজিদের আয়ের প্রধান ও স্থায়ী উৎস। বর্তমানে কার্যকরী কমিটির ৩০ জন সদস্যের মাসিক চাঁদার মাধ্যমে মসজিদের দৈনন্দিন ব্যয় (ইমাম-মুয়াজ্জিন সাহেবের সম্মানী, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি) নির্বাহ হচ্ছে।
২. সাধারণ উন্নয়ন তহবিল (General Development Fund)
মসজিদটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে হওয়ায় এখানে মুসাফির ও স্থানীয় মুসল্লিদের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। এই তহবিলটি মূলত অবকাঠামোগত সংস্কারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৩. কর্পোরেট ও শিল্প প্রতিষ্ঠান অনুদান (CSR Fund)
আমাদের মসজিদের পাশেই 'SQ Celcius' এবং 'Yesmin Spinning Mills'-এর মতো বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
৪. সাদকায়ে জারিয়া ও বিশেষ দান (Legacy & Special Projects)
অনেক মুমিন বান্দা নিজের বা মৃত মা-বাবার মাগফেরাতের উদ্দেশ্যে স্থায়ী কোনো কাজে বড় অংকের দান করতে চান।
৫. যাকাত ও ফিতরা তহবিল (Zakat & Charity Fund)
ইসলামিক শরীয়াহ মোতাবেক এই তহবিলটি সম্পূর্ণ আলাদাভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।
৬. ডিজিটাল ও প্রবাস অনুদান (Online & Diaspora Contribution)
আজকাল অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ সরাসরি উপস্থিত হতে না পারলেও অনলাইনে দান করতে পছন্দ করেন।
কেন আপনি আমাদের সাথে শরিক হবেন?
আল্লাহর ঘর মসজিদের খেদমত করা সর্বোত্তম ইবাদতগুলোর একটি। আপনার দেওয়া সামান্য অনুদান যেমন একটি ইট বা এক বালতি বালুও কিয়ামতের ময়দানে আপনার নাজাতের উসিলা হতে পারে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতি মাসে মসজিদের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ্যে টাঙিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।
আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের প্রিয় ‘ভূঁইয়া বাড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদ’কে এলাকার একটি আদর্শ দ্বীনি মাকবুল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করি।